শনিবার, আগস্ট ১, ২০২৬
১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> যে কারণে জুলাইতে মুগ্ধকে হ/ত্যা করা হয়েছিলো, বেরিয়ে আসলো বি'স্ফো'র'ক তথ্য!

>> খাগড়াছড়িতে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

>> গোপালগঞ্জে স্কুলছাত্রী ও তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরালের পর ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

>> সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ: কেন যোগ দিল, কী এই জোটের লক্ষ্য?

>> মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক, সম্পর্ক ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা

>> যারা জুলাইকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলবে, তাদের বি'রুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রো'হ মা'মলা হবে—এ কে এম শরীফ উদ্দিন

>> ভাইরাল মেসেঞ্জার চ্যাটের জেরে ছাত্রশক্তির শাবিপ্রবি নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি

>> স্থানীয় সরকার নির্বাচন: একক পথে জামায়াত, এনসিপি এখন কি করবে ?

>> ‘আই ওয়ান্ট ইয়োর সেক্স’ ঘিরে আলোচনা, মাত্রাতিরিক্ত যৌনতা শুটিং নিয়ে জানালেন সমন্বয়কারী!

>> নিহত জুলাই যোদ্ধার বাবাকে আওয়ামী লীগের দালাল বললেন আরেকজন জুলাই যোদ্ধার বাবা

LIVE

যে কারণে জুলাইতে মুগ্ধকে হত্যা করা হয়েছিলো, বেরিয়ে আসলো বিস্ফোরক তথ্য!
আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: একক পথে জামায়াত, এনসিপি এখন কি করবে ?


১ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:০১
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: একক পথে জামায়াত, এনসিপি এখন কি করবে ?

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১–দলীয় ঐক্যের শরিকদের মধ্যে নির্বাচনী কৌশল নিয়ে ভিন্নমত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে জোটের কয়েকটি দল মনে করছে, সমন্বিতভাবে নির্বাচন করলে ভোটের বিভাজন কমবে এবং ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প রাজনৈতিক সমন্বয়ের পথ খুঁজছে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ কয়েকটি দলের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে। যদিও এসব আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন আগামী অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে এ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এ কারণে রাজনৈতিক দলগুলোও সাংগঠনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত সময় পার করছে।

জোটের কয়েকটি দলের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সমন্বিত প্রার্থী না থাকলে একই ভোটব্যাংক বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় একাধিক শরিক দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী, সেখানে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

তবে জামায়াতের অবস্থান ভিন্ন। দলটির নেতারা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন মূলত স্থানীয় নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের ক্ষেত্র। বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে আসন সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজন হলে পারস্পরিক সমঝোতা হতে পারে, তবে কেন্দ্রীয়ভাবে একক প্রস্তুতিকেই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় আসন বণ্টন নিয়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব এখনো জোটের কিছু দলের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে খেলাফত মজলিসের একটি অংশ মনে করছে, প্রত্যাশিত রাজনৈতিক মূল্যায়ন তারা পায়নি। এ কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তারা নতুন কৌশল নির্ধারণের আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে এনসিপিও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, আপাতত একক প্রস্তুতি চললেও প্রয়োজন হলে নির্বাচনের আগে বা পরে সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। বিভিন্ন দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগুলো শেষ পর্যন্ত এককভাবে লড়বে নাকি নির্বাচনী সমঝোতায় যাবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার ওপর।