বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগের আমল থেকে এখন বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছি—বিএনপি নেতা

>> ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ দেশের জন্য অনেক কিছু করেছে

>> যারা চুপ্পুর বিচারের দাবি করছে, তাদের বিচার আগে করতে হবে !

>> ২৪-এর পর যারা নেতা-কর্মী হয়েছেন, তারাই সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ

>> আওয়ামী লীগকে দমানো বাংলাদেশে সম্ভব নয় !

>> জনগণের কষ্টে সরকারের কোনো সহানুভূতি দেখা যাচ্ছে না !

>> মির্জা ফখরুল না থাকলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত না

>> খালেদা জিয়ার মতোই শেখ হাসিনাকে পস্তাতে হবে

>> হাফিজ উদ্দিন ভিখারির মতো স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছে !

>> শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর


১৫ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৪:১৩
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

রাজধানী ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার রাজধানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আয়োজিত ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমার, আপনার, সকলের দায়িত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে রাজনৈতিক বিভাজনের পরিবর্তে নাগরিক দায়িত্ববোধ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা থাকলেও সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে ঢাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন ও টেকসই নগরীতে পরিণত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, শুধু আলোচনা বা সেমিনার নয়, এখন প্রয়োজন বাস্তব পদক্ষেপ। প্রত্যেক নাগরিক যদি নিজের আশপাশ পরিষ্কার রাখেন এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলেন, তাহলে পুরো শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তাঁর মতে, দ্রুত নগরায়ণের ফলে বর্জ্যের পরিমাণ বেড়েছে, কিন্তু সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভ্যাস এখনো গড়ে ওঠেনি। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার অনেক প্রাকৃতিক খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা বেড়েছে। অবশিষ্ট খালগুলো উদ্ধার, পরিষ্কার এবং নদীর সঙ্গে পুনঃসংযোগ করা গেলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে তুরাগ, বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যাসহ আশপাশের নদীগুলো দখলমুক্ত রাখতে প্রশাসন ও নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি জানান, সরকার নদী পুনরুদ্ধার এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমাতে মেঘনা নদী থেকে পানি আনার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগ সফল করতে সময়, অর্থ এবং সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।