শুক্রবার, জুলাই ৩১, ২০২৬
১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> নিহত জুলাই যোদ্ধার বাবাকে আওয়ামী লীগের দালাল বললেন আরেকজন জুলাই যোদ্ধার বাবা

>> দলে সুযোগ না পাওয়ার হতাশায় ক্রিকেটারের আত্মহত্যা

>> ছাগলকে কামড় দেওয়ার ঘটনায় কুকুরকে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়িয়ে ক্ষোভ

>> ফেসবুকের প্রেমে চীন থেকে মোহনগঞ্জে, ইসলাম গ্রহণ করে বিয়ে করলেন ওয়্যাং সুলিন

>> ভারতে অ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্তের মুখে বাংলাদেশের পিইটি ফিল্ম, ৬ আগস্ট শুনানি

>> শ্রমিক দিবসে শ্রমিক হত্যা, দেশের জন্য লজ্জাজনক

>> ২৪ এর গণ অভ্যুত্থানে শ্রমিকরা কিছু পায়নি, সব সুবিধা পেয়েছে ছাত্ররা !

>> বাবা মায়ের কথা চিন্তা করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি

>> কিডনি ও বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনে আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে ইউনিভার্সেল মেডিকেলে বৈজ্ঞানিক সেমিনার

>> ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ: চূড়ান্ত হলো ১২টি আয়োজক শহর

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নাকচ করলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ


Sheikh Mojahidur Rahman ১৫ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:২৮
মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নাকচ করলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং গৃহবন্দি থাকার অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর কার্যালয়ের দাবি, এসব তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হয়েছে এবং এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আহমাদিনেজাদের দপ্তর জানায়, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশে বিভেদ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট গৃহবন্দি রয়েছেন—এমন দাবিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কার্যালয়ের মতে, এসব অভিযোগকে বিশ্বাসযোগ্য দেখানোর জন্য কল্পিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

দপ্তরের ভাষ্য, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সব অভিযোগই তারা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছে এবং এগুলোকে সত্য বলে গ্রহণ করার কোনো কারণ নেই।

প্রতিবেদনে কী দাবি করা হয়েছিল?

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ আহমাদিনেজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল। সেখানে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে ইরানের সম্ভাব্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের অংশ হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পর সরকার পরিবর্তনের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, বিদেশ সফরের সময় আহমাদিনেজাদের সঙ্গে একাধিকবার ইসরাইলি এজেন্টদের বৈঠক হয় এবং তাঁর কিছু সফর ও ব্যয়ের পেছনেও গোপন সহায়তা ছিল।

আরও দাবি করা হয়, ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার এক পর্যায়ে তাঁকে তেহরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যাতে পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁকে সামনে আনা যায়।

প্রতিবেদনে এমনও বলা হয় যে, একটি হামলার পর তাঁকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং সেই গাড়িটি মোসাদের সদস্যরা পরিচালনা করছিলেন। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন বা আনুষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সম্প্রতি দেশটির সাম্প্রতিক সংঘাতের পর তিনি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে এক রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেন।